গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কার্যালয়ে অভিযোগ দিতে গিয়ে হেনেস্তা মারধর ও ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন মোঃ আব্দুল মমিন শেখ (৩০) নামের এক যুবক।
গত ২৭ আগস্ট সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই ঘটনা ঘটে বলে এজাহারে উল্লেখ করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়,পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের অধিবাসী মমিন শেখ, এসিল্যান্ডের ড্রাইভারের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলার অভিযোগ জানাতে ইউএনও কার্যালয়ে যান।
সেখানে পৌঁছামাত্র এসিল্যান্ডের ড্রাইভার আব্দুল ওয়াদুদ (৪৫) ও সাইদুর রহমান (৫৫)-এর নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাঁকে প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশে বাধা দেয় ও হেনেস্তা করেন।
ও অভিযুক্তরা তাঁর কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং তাঁকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে অপহরণের চেষ্টা চালায়।
ঘটনাস্থল থেকে জীবন বাঁচাতে ভুক্তভোগী জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ দ্রুত এসে তাঁকে উদ্ধার করে। পুলিশের হস্তক্ষেপে ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ছিনতাইকৃত ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা যায়নি বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করে। তবে বিবাদী সাথে যোগাযোগ করতে না পারায়, তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে পুলিশ তাঁকে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করলে পথিমধ্যে আব্দুল ওয়াদুদ ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে পুনরায় দ্বিতীয়বার অপহরণের চেষ্টা চালায়। পুনরায় ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ গিয়ে তাঁকে দ্বিতীয়বারের মতো উদ্ধার করে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দেয়।
ভুক্তভোগী মমিন শেখ জানান, পুরো ঘটনার প্রমাণ হিসেবে ৯৯৯-এর কল রেকর্ড এবং ইউএনও অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।
পরবর্তীতে গত ২৯ আগষ্ট থানায় একটি অভিযোগ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে গত ৮ সেপ্টেম্বর সুন্দরগঞ্জ থানার এসআই আলিফ মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান বিবাদী ও বাদী বসে ওসি স্যার মাধ্যমে মিমাংসা করার কথা আছে বলে জানায়,তবে বাদী মমিন শেখ জানান তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনসহ ন্যায় বিচার চান।











