ময়মনসিংহের ত্রিশালে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক নারীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোর ও সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পৃথক স্থানে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের সম্মুখ বৈলর দারুত তাকওয়া হিফজ মাদ্রাসার সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে শহিদুল (৩৮) নামে এক দিনমজুরকে পেছন থেকে একটি অজ্ঞাতনামা অ্যাম্বুলেন্স সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত শহিদুল ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাধাকানাই গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ত্রিশালের সম্মুখ বৈলর এলাকায় তাঁর শ্বশুর আব্দুল কদ্দুসের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন।
অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ত্রিশাল পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দরিরামপুর এলাকায় সাইফুল কমিশনারের বাড়ির সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের ইউটার্নে। সেখানে ভ্যানগাড়ির পেছন থেকে অসাবধানতাবশত পড়ে যান মার্জিয়া খাতুন (২২)। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি অজ্ঞাতনামা বাস তাঁকে চাপা দিলে মাথায় গুরুতর আঘাত এবং দুই পায়ের হাড় ভেঙে যায়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত মার্জিয়া উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের চরকুমারিয়া গ্রামের তামিম মিয়ার স্ত্রী। তিনি তাঁর মামী মমিনা খাতুন (৩০) ও মামাতো বোন চাদনী (১৫)-এর সঙ্গে বাবার বাড়ি কোতোয়ালি থানার চুড়খাই কোনাপাড়া থেকে ভ্যানে করে ত্রিশালের পোড়াবাড়ি বাজার এলাকায় কবিরাজ দেখাতে যাচ্ছিলেন। পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ত্রিশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সবুজ জানান, পৃথক দুই দুর্ঘটনায় নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মার্জিয়া খাতুনের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যদিকে, শহিদুলের লাশ এখনো থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।











