গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১২ নম্বর কামারজানী ইউনিয়নকে একটি সুন্দর, নিরাপদ, আধুনিক ও সমৃদ্ধ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক গোলাম আজম। ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।
১২ নম্বর কামারজানী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি ও কৃষকের কল্যাণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান, এলাকার নিরাপত্তা জোরদার এবং স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করে সুস্থ ও সামাজিক শান্তি-সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন গোলাম আজম।
যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রতিটি ওয়ার্ডে উন্নত পাকা রাস্তা, প্রয়োজনীয় ব্রিজ-কালভার্ট এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
কৃষকদের সুবিধার্থে সময়মতো সার, মানসম্মত বীজ ও সরকারি কৃষি প্রণোদনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরাঞ্চলসহ পুরো ইউনিয়নে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া তরুণদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। গ্রাম পুলিশের প্রশাসনিক উন্নয়ন ও সঠিক তদারকির মাধ্যমে এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদকে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রেখে শতভাগ জবাবদিহিতার মাধ্যমে নাগরিক সেবা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন গোলাম আজম।
এ বিষয়ে গোলাম আজম জানান, “নেতৃত্বের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সেবা করা এবং এলাকার জনগণের অধিকার ও স্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা। ১২ নম্বর কামারজানী ইউনিয়ন আমাদের সবার, এর ভবিষ্যৎ সুন্দর করার দায়িত্বও আমাদের একসঙ্গেই নিতে হবে।”











