বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন নিয়ে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে সম্প্রতি বেশ কিছু নতুন আলোচনার জন্ম হয়েছে। গত গত ২০ আগস্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল এক ঘোষণায় জানিয়েছিলেন যে, চলতি বছর জনপ্রিয় এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি মাঠে গড়াচ্ছে না। তিনি সে সময় এর কারণ হিসেবে গত দুই আসরের বড় ধরনের আর্থিক লোকসান, ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থাপনায় নানা জটিলতা এবং পুরো টুর্নামেন্টকে আরও আধুনিক ও নতুন কাঠামোয় দাঁড় করানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছিলেন।
তবে এই ঘোষণার কয়েক দিন পর, অর্থাৎ গত ৩ সেপ্টেম্বর নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তামিম ইকবাল জানান যে বিপিএল পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। বরং টুর্নামেন্টটি কিছু সময়ের জন্য পিছিয়ে দিয়ে আরও পরিচ্ছন্ন ও নতুন আঙ্গিকে আয়োজনের পরিকল্পনা চলছে। একই সঙ্গে দেশের পেশাদার ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত কার্যক্রম সচল রাখতে বিকল্প নানা উপায় নিয়ে কাজ করছে বিসিবি।
এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। গত রবিবার তিনি গণমাধ্যমকে জানান, বিপিএল দেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি টুর্নামেন্ট এবং এটি প্রতি বছরই নিয়মিতভাবে হওয়া উচিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিসিবি সভাপতি টুর্নামেন্টটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার পেছনে কিছু যৌক্তিক কারণ ব্যাখ্যা করেছেন, যা তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আরও যোগ করেন, টুর্নামেন্টটি কেন স্থগিত রাখতে হলো, তা নিয়ে বিসিবির সঙ্গে আরও খোলামেলা আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এমন জনপ্রিয় আসরগুলো কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়, সে বিষয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
এদিকে বিসিবির পক্ষ থেকে টুর্নামেন্ট না হওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই প্রকাশ্যে জানানো হলেও, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছ থেকে প্রথম জানতে পেরেছেন—এমন তথ্যের পর দেশের ক্রিকেট মহলে নতুন করে নানা আলোচনা ও পর্যালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।











