স্বাস্থ্যকর ফল হিসেবে পেয়ারার পরিচিতি থাকলেও, রাজশাহী অঞ্চলের বাণিজ্যিক খামারের পেয়ারায় ক্ষতিকর ভারী ধাতুর উপস্থিতি নিয়ে এক নতুন গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের সংগৃহীত নমুনার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাড়ির বাগানের তুলনায় বাণিজ্যিক খামারে উৎপাদিত পেয়ারায় ভারী ধাতুর পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ১০টি ভিন্ন স্থানে পরিচালিত এই গবেষণায় প্রতিটি নির্বাচিত স্থান থেকে একটি করে বাড়ির বাগান ও বাণিজ্যিক বাগানের পেয়ারা সংগ্রহ করা হয়। মোট ২০টি নমুনা দলের প্রতিটিতে ২৫০ গ্রামের তিনটি করে পাকা ফল নিয়ে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে আর্সেনিক, সিসা, ক্যাডমিয়াম ও তামার উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়।
গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, বাণিজ্যিক খামারের কিছু নমুনায় আর্সেনিক ৩.৮৪ মিলিগ্রাম/কেজি, সিসা ২.০৫ মিলিগ্রাম/কেজি, ক্যাডমিয়াম ১.৮৮ মিলিগ্রাম/কেজি এবং তামা ৯.০৪ মিলিগ্রাম/কেজি পর্যন্ত পাওয়া গেছে। বাণিজ্যিক খামারের প্রায় ৩০ শতাংশে আর্সেনিক, ৭০ শতাংশে সিসা এবং ৯০ শতাংশে ক্যাডমিয়াম নিরাপদ মাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। অন্যদিকে, বাড়ির বাগানের মাত্র ২০ শতাংশ নমুনায় কেবল ক্যাডমিয়ামের মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে।
গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, পেয়ারার মাধ্যমে তৈরি হওয়া ক্যানসারের সম্ভাব্য ঝুঁকি বাড়ির বাগানের ফলের তুলনায় বাণিজ্যিক খামারের ফলে অনেক বেশি, যা প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু উভয়ের জন্যই আশঙ্কাজনক।
সূত্র: Science Bee











