হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, বয়স বাড়ার কারণে ঘাড়ের স্পাইনাল ক্যানাল সংকুচিত হয়ে স্পাইনাল কর্ডে চাপ পড়তে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে সার্ভিক্যাল মায়েলোপ্যাথি বলা হয়। স্পাইনাল কর্ডে সমস্যা দেখা দিলে দৈনন্দিন জীবনে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।
হাতের জড়তা: স্পাইনাল কর্ডে চাপ পড়ার অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ হলো হাতের সূক্ষ্ম নড়াচড়ায় সমস্যা হওয়া। হাত থেকে বারবার জিনিস পড়ে যাওয়া, কাপ ধরা, বোতাম লাগানোর মতো কাজ করতে অসুবিধা হতে পারে।
হাতের লেখায় পরিবর্তন: আঙুলের সমন্বয় ক্ষমতা কমে গেলে হাতের লেখা হঠাৎ ছোট বা এলোমেলো হয়ে যেতে পারে।
হাতে ঝিনঝিন বা অবশ ভাব: আঙুল, হাত বা বাহুতে পিন ফোটার মতো অনুভূতি বা অবশ ভাব দেখা দিলে তা অবহেলা করা উচিত নয়।
ভারসাম্যহীনতা: হাঁটার সময় পা ভারী লাগা, বারবার হোঁচট খাওয়া কিংবা শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে অসুবিধা হওয়া স্পাইনাল কর্ডের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
ঘাড় শক্ত হয়ে থাকা: দীর্ঘ সময় ধরে ঘাড় শক্ত হয়ে থাকা বা অস্বস্তি অনুভূত হওয়া গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তবে মনে রাখা জরুরি, সার্ভিক্যাল মায়েলোপ্যাথি হলেও সবসময় তীব্র ঘাড়ের ব্যথা নাও থাকতে পারে।
স্পাইনাল কর্ড মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য অংশের মধ্যে সংকেত আদান-প্রদান করে। তাই এতে দীর্ঘমেয়াদি চাপ পড়লে স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।











