মেহেরপুরের গাংনীতে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ও পৌর আওয়ামী যুবলীগের কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় যুবলীগ।
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ গাংনী উপজেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি এডভোকেট হুমায়ূন কবির ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিপ্লব হোসেন এবং পৌর কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট মানিক আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুবায়ের হোসেন উজ্জ্বল ৭১ বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে আবার পদত্যাগের ঘটনা ঘটেছে।
আওয়ামী লীগ যুবলীগের গাংনী উপজেলা ও পৌর কমিটির তালিকা প্রকাশে করা হয় গত ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে। তালিকা প্রকাশের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে ৮ জন পদত্যাগ করেছেন। লিখিত পদত্যাগপত্র তারা কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছে প্রেরণ করেছেন। সম্মতি ছাড়া কমিটির তালিকায় নাম রাখার কারণ দেখিয়ে তারা পদত্যাগ করেন।
লিখিত আবেদনপত্র অনুযায়ী পদত্যাগকারীরা হচ্ছেন-বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের গাংনী উপজেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মজিরুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার পাশা, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আলিম, সাবেক যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান আকাশ, আলমগীর বিশ্বাস রাহেল, লিখন উদ্দীন এবং মাঝারুল ইসলাম।
গতকাল ঘোষিত ৭১ সদস্য বিশিষ্টি কমিটিতে সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের ছোট ছেলে অ্যাড হুমায়ন কবিরকে সভাপতি এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গাংনী উপজেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
প্রকাশিত এ কমিটি থেকে পদত্যাগকারী মজিরুল ইসলাম, আনোয়ার পাশা ও আব্দুল আলিমকে সহ সভাপতি হিসেবে রাখা হয়। আশিকুর রহমান আকাশকে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এবং আলগমীর বিশ্বাস রাহেল, লিখন ও মাঝহারুলকে সদস্য রাখা হয়।
নিষিদ্ধ যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান/সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত আবেদন এবং এর অনুলিপি মেহেরপুর জেলা আহবায়ক কমিটির আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়ক বরাবরা প্রদান করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পদত্যাগকারীরা।
পদত্যাগকারীরা তাদের আবেদনে বলেছেন, কমিটিতে নাম রাখার বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করা হয়নি এবং তাদের সম্মতি ছাড়াই কমিটিতে নাম রাখা হয়েছে। এ কারণে তারা পদত্যাগ করছেন। তবে কমিটি ঘোষণার পর নেতৃত্বের বিষয় নিয়ে নেতা করমিদের মাঝে তীব্র সমালোচনা চলছে বলে একটি সুত্রের জানা গেছে।
কমিটিতে নাম অন্তর্ক্ত এবং পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চেয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের মেহেরপুর জেলা আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়কের সঙ্গে যোগাযোগের চেস্টা করা হয়। কিন্তু কোন মাধ্যমেই তাদেরকে পাওয়া যায়নি।











