নোংরা রাজনীতি, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা কাদা ছোড়াছুড়ি নয়—মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করাকেই রাজনীতির মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখতে চান পিরোজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুম রানা।
সম্প্রতি সুবাহান হাজির বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এমন প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। তবে পাল্টা আক্রমণ কিংবা উত্তেজনাকর বক্তব্যের পথে না গিয়ে শালীনতা, যুক্তি ও সৌজন্যতার মধ্য দিয়ে জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মাসুম রানা।
মাসুম রানা বলেন, “রাজনীতি মানুষের জন্য। মানুষের সম্মান নষ্ট করে, মিথ্যাচার করে কিংবা একে অপরকে হেয় করে রাজনীতি করা আমার নীতি নয়। আমি মানুষের খাদেম হতে চাই। জনগণের পাশে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হওয়াই আমার লক্ষ্য।”“আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে আসিনি। জনগণ যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে সেই দায়িত্বকে ক্ষমতা হিসেবে নয়—সেবা করার আমানত হিসেবে গ্রহণ করব।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু সেই মতপার্থক্য কখনোই বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি অসম্মান বা ব্যক্তিগত আক্রমণের কারণ হওয়া উচিত নয়। প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান রেখেই নিজের অবস্থান তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মাসুম রানার এমন অবস্থানকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। তাঁদের মতে, নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, মতের ভিন্নতাও থাকবে; তবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌজন্য ও সহনশীলতা বজায় থাকলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও সুন্দর হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা কাদা ছোড়াছুড়ির পরিবর্তে এলাকার উন্নয়ন, জনসেবা ও মানুষের কল্যাণের বিষয়গুলোই প্রার্থীদের প্রচারের মূল বিষয় হয়ে উঠবে।











