এই ঘোষণার পেছনে ইতিমধ্যে বাস্তব কার্যক্রমও শুরু হয়ে গেছে। গত শনিবার (১১ জুলাই) রেলপথের ডিজিটাল সিগন্যাল নির্মাণকাজে নিয়োজিত একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদল সরেজমিনে মালঞ্চি স্টেশন পরিদর্শন করে। তারা স্টেশনের বর্তমান অবকাঠামো, সিগন্যালিং ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত দিকগুলো খতিয়ে দেখেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ডিজিটাল সিগন্যালসহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই মালঞ্চি রেলস্টেশন চালুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় এই স্টেশন এলাকার বাসিন্দাদের জন্য এক ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মালঞ্চি ও আশপাশের এলাকার মানুষজন দূরপাল্লার যাতায়াতের জন্য বিকল্প পথ কিংবা দূরবর্তী স্টেশনের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন, যা সময় ও অর্থ উভয় ক্ষেত্রেই বাড়তি চাপ তৈরি করত। স্টেশনটি পুনরায় চালু হলে যাতায়াত ব্যবস্থায় ব্যাপক স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, রেলস্টেশন চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে শুধু যাতায়াতের সুবিধাই নয়, বরং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন ও সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি সঞ্চার হবে। এমপি ফারজানা শারমিন পুতুলের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন মালঞ্চিসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ, যারা দীর্ঘদিন ধরে এই স্টেশন চালুর অপেক্ষায় ছিলেন।











