মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার আলোচিত ও দুর্ধর্ষ অপরাধী হোসেন আলী ওরফে ‘বোমা হোসেন’ (৪০)-কে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করেছে গাংনী থানা পুলিশ। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মেহেরপুরের পূর্ব মালসাদাহ গ্রামের নিজ বাসভবনে অভিযান চালিয়ে দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া ককটেল ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত ঘটনাগুলোর তদন্ত করতে গিয়ে হোসেন আলীর জড়িত থাকার মূল তথ্য পায় পুলিশ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় তার অবস্থান নিশ্চিত করে গাংনী থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল। পরবর্তীতে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধ স্বীকার করেন হোসেন আলী। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে গাংনী উপজেলার পূর্ব মালসাদাহ গ্রামে তার বাড়িতে এক জোরদার অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তার দেখানো স্থান থেকে পুলিশ দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর উদ্দেশে এসব মজুত করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাদ্দিস মোরশেদ চৌধুরী জানান, গ্রেপ্তারকৃত হোসেন আলী দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পলাতক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি জিআর পরোয়ানা রয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে রবিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।











