পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানাধীন বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামে মুস্তাকিন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচজন আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে।
তদন্তে জানা যায় মাছ মারার তৌরা জাল ২০০/- টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে ডিসিষ্ট মোস্তাকিন (২০), পিতা- মো: বেলাল হোসেন, সাং বড় শিবপুর, থানা ধামইর হাট, জেলা- নওগাঁকে তার নিজ খলিয়ানে তাকে এবং তার মাকে মারপিট করে গুরুতর রক্তাক্ত যখম করে। স্থানীয়রা তাকে এবং তার মাকে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার মোস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করে।
পরবর্তীতে মামলা রুজুর পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী আসামি ১. মো: রতন হোসেন (২২), ২. মো: সাইদুল ইসলাম (২৪), ৩. আইনে সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ হাসান (১৪), সর্ব পিতা আব্দুল জলিল, ৪. মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম (৫৫), ৫. মোছাম্মত জাকিয়া বেগম (১৯) দের
ধামইরহাট থানা ও আশপাশ এলাকায় পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে অফিসার ইনচার্জ ধামুইরহাট থানা জনাব মোঃ মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে একটি চৌকস টীম ইং ০৩/০৯/২০২৬ তারিখ ভোর ০৪.৩০ ঘটিকায় সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকা হতে অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের গ্রেফতার করেন।
আসামি সাইদুরের দেখানো মতে আসামির বাড়ি হতে হত্যা কাজে ব্যবহৃত সাবলও উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।











