বাগাতিপাড়া প্রতিনিধি:
নাটোরের বাগাতিপাড়ার ভিতরভাগ বাইআপ উচ্চ বিদ্যালয়ে একই সময়ে দুজন শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দাবি করায় চরম প্রশাসনিক সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ১৩০ জন থেকে কমে মাত্র ৪০-৫০ জনে নেমে এসেছে। দ্রুত এ সংকটের সমাধান চান শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে মূল প্রধান শিক্ষক মাহমুদা খাতুন অবসরে যাওয়ার পর সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে ২০১৭ সালে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্তে তাঁর নিয়োগে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকা এবং সরকারি তহবিল থেকে তোলা ১৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা ফেরতের উল্লেখ ছিল। পরবর্তীতে বর্তমান এডহক কমিটি জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিলে বিরোধ তুঙ্গে ওঠে। ফলে একই পদের বিপরীতে দুজন শিক্ষক নিজেদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দাবি করছেন।
নিজের নিয়োগের বিষয়ে বিস্তারিত না বললেও রফিকুল ইসলাম জানান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনায় তিনি দায়িত্বে আছেন। এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ওয়াজেদ আলী মৃধা জানান, বিধি অনুসরণ করেই রফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। নাটোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রোস্তম আলী হেলালী জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষকের চেয়ার নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের বিষয়টি তারা অবহিত আছেন এবং দ্রুত পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে আইনগত ও দাপ্তরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।











