জাহাঙ্গীর আলম সবুজ:
মানবসেবা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে হাসি ফোটানোর প্রত্যয় নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ডা. ইভা হামিদ। মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের অবদানের কারণে স্থানীয়ভাবে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে।
সম্প্রতি তিনি মানবতার দেওয়াল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সেবা ও নারী উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মাননা পদকে মনোনীত হয়েছেন। দীর্ঘ পথচলায় সেবা, শ্রম, মেধা দিয়ে সামাজিক ও মানবিক কাজ করাই তাঁর ব্রত। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের চিকিৎসা, এতিমখানার শিশুদের চিকিৎসা সেবা ও অন্যান্য সহায়তা করে আসছেন ডা. ইভা হামিদ। এজন্য এ বছর তাকে চিকিৎসা সেবা ও নারী উদ্যোক্তা হিসেবে মানবতার দেওয়াল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সম্মাননা পদক প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কমিটি।
বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ
ডা. ইভা হামিদের এই মানবিক যাত্রার শুরুটা হয়েছিল অনেক আগে থেকেই। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সবসময়ই চেয়েছেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কল্যাণকর কিছু করতে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র মানুষ, যারা অর্থের অভাবে সঠিক সময়ে উন্নত চিকিৎসা পান না, তাদের জন্য তিনি নিয়মিত আয়োজন করেন বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প। এসব ক্যাম্পে শুধু পরামর্শই দেওয়া হয় না, বরং রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধও বিতরণ করা হয়। তাঁর এই সময়োপযোগী উদ্যোগে অনেক মুমূর্ষু রোগী নতুন করে বেঁচে থাকার আলো খুঁজে পেয়েছেন।
সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও এতিমদের পাশে দাঁড়ানো
চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও এতিমদের জন্য ডা. ইভা হামিদ এক পরম নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল। তিনি নিয়মিত বিভিন্ন এতিমখানা ও বস্তির শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন এবং তাদের পুষ্টিকর খাবার ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করেন। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে তাঁর এই অবদান প্রশংসনীয়। ডা. ইভা হামিদ বিশ্বাস করেন, সমাজের প্রতিটি সচ্ছল মানুষের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর এই মানবিক কাজ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।











